মঙ্গলবার, ০৭ Jul ২০২৬, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন

ডাকাতি করতে গিয়ে প্রতিবন্ধী নারীকে গণধর্ষণ : ডিআইজি

নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : খাগড়াছড়ির সদর উপজেলার বলপাইয়া আদাম এলাকায় সংঘটিত গণধর্ষণের পেছনে সাম্প্রদায়িক উদ্দেশ্য ছিল না। ডাকাতি করতে ঘরে ঢুকে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিবন্ধী ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করার কথা জানিয়েছেন গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন।

এ মামলায় গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন, নুরুল আমিন, বেলাল হোসেন, ইকবাল হোসেন, আব্দুল হালিম, শাহিন মিয়া, মো. অন্তর ও আব্দুর রশিদ। তাদের সবার বাড়ি খাগড়াছড়ির বিভিন্ন উপজেলায়।

চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চাঞ্চল্যকর এ মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয় জানিয়ে খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ বলেন, নয় জনের সংঘবদ্ধ একটি দল গণধর্ষণের পাশাপাশি ওই বাড়িতে লুটপাট চালায়। আসামিদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি লুটপাট হওয়া মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখিত অভিযোগের সঙ্গে আসামিদের স্বীকারোক্তির মিল রয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার। তিনি জানান, গ্রেপ্তার আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং বাকি দুই আসামির গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, গণধর্ষণ ও ডাকাতির ঘটনায় অংশ নেওয়া নয়জনের মধ্যে আটজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, অস্ত্র, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। কারাগারে বসে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়। জামিনে বের হয়ে তারা বিভিন্ন এলাকায় সংঘবদ্ধ হয়ে ডাকাতি করতেন। গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতেও ডাকাতি করার জন্য তারা আগে থেকে পরিকল্পনা করেন।

এদিকে, পাহাড়ে ও সমতলে সংগঠিত সব ধর্ষণের ঘটনার বিচারের দাবিতে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে ত্রিপুরা স্টুডেন্টস ফোরাম এবং বাংলাদেশ মারমা স্টুডেন্টস কাউন্সিল।

গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে খাগড়াছড়ি সদরের বলপাইয়া আদাম এলাকায় বাড়িতে ডাকাতি করতে ঢুকে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর চাকমা সম্প্রদায়ের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক নারীর হাত পা-বেঁধে ধর্ষণ করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নয়জনকে আসামি করে মামলা দায়েরের পর পুলিশ সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com